প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর রাজনৈতিক দল বিএনপির হাতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষিত নয়। আদালতের দৃষ্টিতে এক সময়ের জঙ্গিবাদের প্রযোজক তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

ভিন্নমতের নাগরিকদের দমন, নাগরিকদের সমালোচনা ও প্রতিবাদের বিরুদ্ধে তাঁদের গ্রেপ্তার, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, কথিত এ রাজনৈতিক প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে মিম তৈরি ও কটূক্তিকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে গণ্য করা—সবকিছুই রাষ্ট্রীয় স্বৈরতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ।

বিএনপি সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের মাধ্যমে ভিন্নমত দমনের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে এরই মধ্যে। বিএনপি দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন)-এর পুনর্গঠন করলেও ২০০১-২০০৬ সালে তারেক রহমানের দুর্নীতির কোন তদন্ত ও অভিযোগগুলো আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা দৃশ্যমান নয়। যেখানে সে সময়কালে তারেক রহমান ও তার হাওয়া ভবনের দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে দুর্নীতির বড়পুত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল রাজনৈতিক এ কালো বিড়াল তারেক রহমান।

আদালতের রায়ে তারেক রহমানকে তিন কোটি টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামি ছিলেন এই তারেক রহমান, ছিলেন দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদে অভিযুক্ত হয়ে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পলাতক।

আদালত শুধু সেদিন রায়ই দেননি, তখন রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছিল যে, এ ধরনের অপরাধমূলক কাজ ‘ফিনানশিয়াল ক্রাইম’ ছিল এবং এ ধরনের কাজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বড় ধরনের একটি বাধা।

এমন একজন দুর্নীতিবাজ ও জঙ্গিবাদের মদদদাতা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতায়, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। যা দুর্নীতিবাজ জিয়া পরিবারের একটি ধারাবাহিকতা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান অত্যন্ত দুর্ধর্ষ ও ভয়ঙ্কর এবং একটি দুর্নীতিপরায়ণ সরকার ও বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতীক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top